Positive বার্তা (বাংলা)

A teamwork initiative of Enthusiastic people using Social Media Platforms

Homeস্বাস্থ্যUric Acid : বেড়ে গেছে ইউরিক অ্যাসিড!! বশে আনতে কী ধরনের ডায়েট...

Uric Acid : বেড়ে গেছে ইউরিক অ্যাসিড!! বশে আনতে কী ধরনের ডায়েট মেনে চলবেন?

Uric Acid : বেড়ে গেছে ইউরিক অ্যাসিড!! বশে আনতে কী ধরনের ডায়েট মেনে চলবেন?

Uric Acid: শরীরে পিউরিন নামক রাসায়নিক যৌগ ভেঙে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়। কিডনি ইউরিক অ্যাসিড বের করে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়। কিন্তু কিডনি যদি সঠিকভাবে কাজ না করে বা শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়, তখন রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়।

লক্ষণ (Uric Acid) :

  • গেঁটেবাত:
    হাত, পা, হাঁটু, গোড়ালি, আঙ্গুলের জয়েন্টে তীব্র ব্যথা, ফোলাভাব ও লালভাব।
  • কিডনিতে পাথর:
    তীব্র কোমর ব্যথা, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, প্রস্রাবে জ্বালা।
  • অন্যান্য:
    ক্লান্তি, দুর্বলতা, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া।

কারণ :

  • খাদ্যাভ্যাস:
    উচ্চ পিউরিনযুক্ত খাবার (লাল মাংস, অভ্যন্তরীণ অঙ্গ, সামুদ্রিক খাবার)
    অতিরিক্ত মদ্যপান
    অতিরিক্ত মিষ্টি ও ফাস্ট ফুড
  • জিনগত:
    পরিবারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থাকলে
  • অন্যান্য:
    স্থূলতা, ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা, থাইরয়েড সমস্যা

প্রতিরোধ :

  • খাদ্যাভ্যাস:
    উচ্চ পিউরিনযুক্ত খাবার পরিহার
    প্রচুর পরিমাণে পানি পান
    শাকসবজি, ফল, শস্য, দুগ্ধজাত খাবার, চর্বিহীন মাংস বেশি খাওয়া
  • ওজন নিয়ন্ত্রণ:
    নিয়মিত ব্যায়াম
  • নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা:
    ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা পর্যবেক্ষণ
চিকিৎসা :
  • ওষুধ:
    ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে ডাক্তার ওষুধ দিতে পারেন।
  • জীবনধারা পরিবর্তন:
    উপরে উল্লেখিত প্রতিরোধের উপায়গুলো অনুসরণ করা।
কিছু টিপস :
  • নিয়মিত খাবার খান:
    দিনে তিনবার খাবার খান এবং দুইবার হালকা খাবার খান।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন:
    অতিরিক্ত ওজন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে।
  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন:
    নিয়মিত ব্যায়াম ইউরিক অ্যাসিড শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে।
  • মদ্যপান বন্ধ করুন:
    মদ্যপান ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে।
  • ধূমপান বন্ধ করুন:
    ধূমপান ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে।
উপসংহার :

ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে গেঁটেবাত, কিডনিতে পাথর ও অন্যান্য জটিলতা এড়ানো সম্ভব। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

সতর্কতা :

এই তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। এই ডায়েটটি শুধুমাত্র একটি নির্দেশিকা।
আপনার জন্য কোন ডায়েটটি সর্বোত্তম তা জানতে একজন ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের সাথে পরামর্শ করুন।
নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করিয়ে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন।

আরও পড়ুন: Space Life : মহাকাশে জীবনের সম্ভাবনা: উল্কাপিণ্ডে জলের সন্ধান!

Join Our WhatsApp Group For New Update
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সবচেয়ে জনপ্রিয়